President

খানেক হলো তাঁরা আবার হলে ফিরছেন। কিন্তু দেশি টিভি চ্যানেলগুলো থেকে দর্শক ক্রমেই মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। অতিরিক্ত বিজ্ঞাপন আর ভালো কাজের অভাব—এমন অনেক অভিযোগে দেশি দর্শকদের রিমোট ঘুরছে কেবল বিদেশি চ্যানেলগুলোয়। তবে ভালো কাজ হলে মানুষ নাকি তা খুঁজে বের করে দেখে। শুধু দেখেই না, উপভোগ আর প্রশংসাও করে। এর সবচেয়ে বড় প্রমাণ পাওয়া গেছে ২০১৭ সালে। এ বছর টেলিভিশনে প্রচারিত অনেকগুলো নাটক আলোচনায় ছিল।

বছরজুড়ে দেশি নাটক দেখা না হলেও একটি বড়সংখ্যক দর্শক প্রতিবছর ঈদের সময় টিভিতে ভালো কিছু দেখার আশায় মুখিয়ে থাকেন। এ বছর ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহায় নির্মাতা অমিতাভ রেজার তত্ত্বাবধানে তৈরি ‘আয়নাবাজি সিরিজ’ ও ‘অস্থির সময়ে স্বস্তির গল্প সিরিজ’ বেশ সাড়া জাগিয়েছে। তবে ‘আয়নাবাজি সিরিজ’-এর নাটকগুলো চলচ্চিত্র ‘আয়নাবাজি’র মতো দর্শকদের তুষ্ট করতে পারেনি। শুধু অমিতাভ রেজার নিজের পরিচালনায় ‘মার্চ মাসের শুটিং’ কিছুটা আওয়াজ তুলতে পেরেছে।

অবশ্য ঈদুল আজহায় ‘অস্থির সময়ে স্বস্তির গল্প’ সিরিজের নাটকগুলো মানুষকে আসলেই স্বস্তি দিয়েছে। এর মধ্যে সৈয়দ আহমেদ শাওকীর পরিচালনায় ‘কথা হবে তো?’ নাটকটি এ বছরের অন্যতম প্রশংসিত একটি টেলিভিশন নির্মাণ। এ ছাড়া এই সিরিজের ‘হোটেল আলবাট্রোস’ ও ‘মাহুত’ নাটক দুটি আলোচিত হয়। নাটকগুলোর পরিচালক ছিলেন যথাক্রমে নুহাশ হ‌ুমায়ূন ও সুকর্ণ সাহেদ ধীমান। দুজনই টেলিভিশনে এবারই প্রথম কাজ করেছেন।

০১ জানুয়ারী, ২০১৮ ০০:০৮ এ.ম