President

অপূর্ব লাল সরকার, আগৈলঝাড়া (বরিশাল): আগৈঝাড়ায় দোকানে সওদা কিনতে গিয়ে ব্যবসায়ী কর্তৃক শিক্ষার্থী ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ধর্ষকের পক্ষ নিয়ে স্থানীয় এক যুবলীগ নেতার কারণে থানায় অভিযোগ করতে পারছে না ধর্ষিতার পরিবার।

ওই পরিবার ও স্থানীয় একাধিকসূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বেলুহার গ্রামের দরিদ্র পিতার ৬ষ্ঠ শ্রেণী পড়–য়া মেয়ে রবিবার সন্ধ্যায় পার্শ্ববর্তী মকবুল সরদারের ছেলে আলী সরদারের ঘরের বারান্দার দোকানে সওদা কিনতে যায়। এসময় দোকানদার আলী সরদার ওই ছাত্রীকে একা পেয়ে দোকানে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে। ওই শিক্ষার্থী সেরাল বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠশ্রেণীর ছাত্রী। ধর্ষণের ঘটনা এলাকায় জানজানি হলে উপজেলা যুবলীগের সাবেক নেতা স্থায়ীয় প্রভাবশালী রেমান ভুঁইয়া ও শাহজাহান ভুঁইয়া ধর্ষকের স্ত্রীর কাছ থেকে সব ম্যানেজ করার কথা বলে ২০ হাজার টাকা নিয়ে ধর্ষিতার পরিবারকে বিষয়টি চেপে যেতে বলেন। ওই নেতাদের ভয়ে ধর্ষিতার পরিবার থানায় অভিযোগ তো দূরের কথা এলাকায়ও বিচার চাইতে পারছে না। পুলিশ গোপন সংবাদে খবর পেয়ে সোমবার বিকেলে ওই এলাকায় যাবার পথে সেরাল গ্রামে পৌঁছুলে সেরাল গ্রামের মামুন কাজী পুলিশকে অর্থ দিয়ে ম্যানেজ করে ফিরিয়ে দেয়।

এব্যাপারে থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত ওসি এসআই সালাম সাংবাদিকদের জানান, বিষয়টি তার জানা নেই। ওই পরিবারর যেন থানায় অভিযোগ দেয়। ঘটনার তথ্য সূত্র জেনে কোন পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে যাচ্ছিল তা তিনি খোঁজ নেবেন বলে জানান।

০৮ এপ্রিল, ২০১৭ ১৮:২৪ পি.এম